Posts

Showing posts from July, 2019

সিএসএস কম্বিনেটরস | সিএসএস এর পার্ট ২৩

Image
কম্বিনেটরস

CSS কম্বিনেটর সিলেক্টরগুলোর মধ্যে সম্পর্ক নির্দেশ করে। একটি সিএসএস সিলেক্টর একাধিক সিম্পল সিলেক্টর ধারণ করতে পারে। এই সিম্পল সিলেক্টরগুলোর মধ্যে আমরা একটি কম্বিনেটর যোগ করতে পারি।

CSS এ চার প্রকার কম্বিনেটর রয়েছেঃ
i) ডিসেন্ডেন্ট সিলেক্টর
ii) চাইল্ড সিলেক্টর
iii) অ্যাডজাসেন্ট সিবলিং সিলেক্টর
iv) জেনেরাল সিবলিং সিলেক্টর

নিচে এর বিস্তারিত আলোচনা করা হল--

ডিসেন্ডেন্ট সিলেক্টর

ডিসেন্ডেন্ট সিলেক্টর একটি নির্দিষ্ট এলিমেন্টের সবগুলো ডিসেন্ডেন্ট এলিমেন্টকে ম্যাচ বা সিলেক্ট করে। নিচের উদাহরণে <div> এলিমেন্টের ভিতরের সবগুলো <p> এলিমেন্টকে সিলেক্ট করা হয়েছে।


<head>
<style>
div p {
    background-color: yellow;
}
</style>
</head>
উদাহরণ :-

<!DOCTYPE html>
<html>
<head>

<style>
div p {
    background-color: yellow;
}
</style>
</head>
<body>

<div>
  <p>Paragraph 1 in the div.</p>
  <span><p>Paragraph 2 in the div.</p></span>
</div>

<p>Paragraph 3. Not in…

সিএসএস এর পার্ট- ২৪| প্রথম অক্ষর সিউডো ইলিমেন্ট

Image
প্রথম অক্ষর সিউডো ইলিমেন্ট
আমরা বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকা সহ অনেক জায়গায় দেখি যে, কোন প্যারাগ্রাফ এর ফার্স্ট ওয়ার্ডের ফার্স্ট ওয়ার্ড বিভিন্ন স্টাইল করা। কখনো হয়তবা বোল্ড বা ইটালিক বা একটু বড় ফন্ট সাইজের।

কোন প্যারাগ্রাফের বা হেডিং এর শুরুতে প্রথম অক্ষর অন্যান্য অক্ষর থেকে একটু ভিন্ন আকার, আকৃতি, রং এবং ডিজাইনে প্রদর্শন করার জন্য ফাস্ট লেটার সিউডো ইলিমেন্ট ব্যবহার করা হয়।

এজন্য ফাস্ট লেটার সিউডো ইলিমেন্ট সিলেক্টর ব্যবহার করতে হবে; p:first-letter এর অনুরূপ।

p এর স্থানে h1,h2,h3 সহ বিভিন্ন ট্যাগের নাম হতে পারে।

এটি সাধারণত নিচের মত হয়।

<head>
<style>
p::first-letter {
    color: #ff0000;
    font-size: xx-large;
}
</style>
</head>

উদাহরণ :-

<!DOCTYPE html>
<html>
<head>

<style>
p::first-letter {
    color: #ff0000;
    font-size: xx-large;
}
</style>
</head>
<body>

<p>এটা একটা বাক্য।</p>

</body>
</html>




প্রথম লাইন সিউডো ইলিমেন্ট

এটা সেই আগের প্রথম অক্ষর সিউডো ক্লাসের মতই। তবে এর মৌলিক পার্থক্য জল প্…

সিএসএস এর পার্ট -২৫| সিএসএস এর নেভিগেশন

নেভিগেশন
যেকোন ওয়েব সাইটের জন্যই নেভিগেশন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ ঐ ওয়েব সাইটে কি ধরণের তথ্য আছে এবং কোন ধরণের তথ্য কোথায় আছে তা সহজে খুঁজে পাওয়ার অন্যতম সহজ মাধ্যম হচ্ছে নেভিগেশন বার। মূলত নেভিগেশন বারে একটা ওয়েব সাইটের সকল পেজের লিংক বিশেষ পদ্ধতিতে, আকর্ষণীয়ভাবে প্রদর্শন করা হয়।আগের দিনে HTML টেবিলের মাধ্যমে নেভিগেশন বার তৈরি করা হতো, যা ব্যবহার বান্ধব এবং দেখতেও সুন্দর ছিলো না, কিন্তু বর্তমানে CSS ব্যবহারের মাধ্যমে অনেক সুন্দর নেভিগেশন বার তৈরি করা যায়।
প্রকৃত পক্ষে নেভিগেশন বার হচ্ছে কতগুলো লিংক এর লিস্ট।নেভিগেশন বার দুই ধরণের হয়ে থাকে। যেমন;

i) ভার্টিক্যাল নেভিগেশন বার
ii) হরিজন্টাল নেভিগেশন বার



লিংক তালিকা
একটি ন্যাভিগেশন বার তৈরি করার জন্য প্রথমে একটি এইচটিএমএল কাঠামোর প্রয়োজন হয়।
আমাদের উদাহারনে আমরা ন্যাভিগেশন বার তৈরি করেছি সাধারণ এইচটিএমএল লিস্ট (li) ট্যাগের মাধ্যমে। মূলত ন্যাভিগেশন বার হল একটি লিংকের তালিকা বা লিস্ট। তাই আমরা <ul></ul> এবং <li></li> ট্যাগগুলো ব্যাবহার করব।


<body>
<ul>
  <li><a href="#home&q…

সিএসএস এর পার্ট-২৬| সিউডো ক্লাস

Image
সিউডো ক্লাস

বিভিন্ন উপাদানের অবস্থান, অবস্থা ইত্যাদি সিলেক্টর দ্বারা সিলেক্ট করে, বিশেষ ইফেক্ট দেয়ার জন্য সিউডো ক্লাস ব্যবহার করা হয়।
সিউডো ক্লাস এর সিনট্যাক্স হচ্ছে selector:pseudo-class {property:value;} । সি এস এস ক্লাস সিলেক্টরও সিউডো ক্লাসের সাথে ব্যবহার করা যায়, এক্ষেত্রে সিনট্যাক্স হবে selector.class:pseudo-class {property:value;} ।
নেভিগেশন বারের বিভিন্ন মেনু বিভিন্ন অবস্থায় কেমন দেখাবে তা সিউডো ক্লাস দ্বারা নির্ধারণ করা হয়। এছাড়া বিভিন্ন চাইল্ড সিলেক্টরের ফাস্ট চাইল্ড সিলেক্ট করা সহ আরো অনেক ধরণের কাজ সিউডো ক্লাস দ্বারা করা যায়।

সিউডো ক্লাস তিন ধরণের । তা হল
i) এংকর সিউডো ক্লাস
ii) ফাস্ট চাইল্ড সিউডো ক্লাস
iii) ফল্যাঙ্গুয়েজ সিউডো ক্লাস

নিচে তার বিস্তারিত আলোচনা করা হল--



এংকর সিউডো ক্লাস
এংকর নাম শুনের নিশ্চই বুঝেছেন যে এটা লিংক অর্থাৎ <a></a> ট্যাগের কথা থাকবে।
হ্যা ঠিক ধরেছেন।
সাধারণত HTML এ লিংক তৈরির জন্য এংকর ট্যাগ(<a></a>) ব্যবহার করা হয়। সি এস এস ব্যবহার করে স্ট্যাইল তৈরির জন্য স্ট্যাইল শীটে সিলেক্টর হিসেবে a ব্যবহার করা হয়। কি…

সৌরজগৎ এ প্রথম আন্তঃনাক্ষত্রিক গ্রহাণু

Image
১৭ অক্টোবর ২০১৭। হাওয়াই দ্বিপপুঞ্জে অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অব হাওয়াইয়ের প্যান-স্টারস-১ টেলিস্কোপে ধরা পড়ে একটা আবছা আলো। সেটা ক্রমেই পৃথিবী হতে দূরে সরে যাচ্ছে।এই আলোর উৎসের খোজে নামের বিজ্ঞানীরা। খোজ পান এমন এক গ্রহাণুর যেটা একেবারে অপরিচিতি। ধুমকেতুও হতে পারে সেটা। বিজ্ঞানীরা সেটার আনুষ্ঠানিক নাম দেন 11/2017/U1| প্যান স্টারস টিমের বিজ্ঞানীরা এর নাম দেন ওউমুয়ামুয়া। এটি একটি হাওয়াইয়ান শব্দ হতে এসেছে যার অর্থ স্কাউট। বিজ্ঞানীরা হিসাব কষে দেখছেন যে এর জন্ম সৌরজগতের বাহিরে। বাইরের কোন নক্ষত্র জগৎ হতে বেড়াতে এসেছে৷ এর আগে কোন বাহিরের নক্ষত্রের খোজ পান নি বিজ্ঞানীরা৷

সৌরজগতে এই আগন্তুক বিজ্ঞানীদের মাঝে সাড়া ফেলেছিল। পৃথিবীর সব বড় বড় টেলিস্কোপ এর দিকে তাক করা হয়েছিল যাতে করে এর সম্পর্কে ভাল মত জানা যায়। বিজ্ঞানীদের চোখ আকাশে তুলে দিয়েছে এর আকৃতি। এর দৈর্ঘ্য ৩০০ মিটার ও প্রস্থ ৩০ মিটার।অনেকটা পেন্সিলের মত দেখতে। এর আগে পর্যবেক্ষণ করা গ্রহাণুর ভিতর কোনটিরই দৈর্ঘ্য প্রস্থের চেয়ে তিন গুনের বেশি বড় ছিল না। এর গায়ের রঙ দেখে বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হয়েছেন যে কয়েকলাখ বছর ধরে এর গায়ে মহাজাগতিকরশ্মি এসে…

কেন খাবারে আয়োডিনযুক্ত লবণ খাবেন?

Image
বিশ্বাস করুন আর না-ই করুন আমেরিকায় আয়োডিনযুক্ত লবন সাধারন দোকানে পাওয়া যায় না।সেখানে লবনে আয়োডিন যুক্ত করা হয় না।তাদের দরকার ও হয় না।একজন প্রবাসী বাঙালি এটা দেখে শুনে অবাক হন।অনেক খুজে বেশি দামে আয়োডিনযুক্ত লবন কনেন এই প্রবাসিরা।কিন্তুু খেতে বিস্বাদ,যেহেতু বাংলাদেশে আয়োডিনযুক্ত লবন খেতে হয়,তাই তিনি দুঃচিন্তায় ছিলেন।কিন্তুু পরে দ্যা নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকায় ২১শে জুলাই ২০১৭ইং, এ বিষয়ে একটি লেখা পড়ে জানলেন,কেন ইউরোপ আমেরিকায় লবনে আয়োডিন লাগেনা।তাহলে,বাংলাদেশে কেন লাগে।কারন আমাদের দেশে বন্যা হয়।আমেরিকা ইউরোপ এই দুর্যোগ খুবই কম।
প্রশ্ন হল বন্যার সাথে আয়োডিনের সম্পর্ক কি?

আয়োডিনের অভাব হলে গলগন্ড,থাইরয়েড গ্ল্যান্ডের সমস্যাসহ আরো বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হতে হয়।আয়োডিন আমাদের শরীরে তৈরী হয়না,দৈনন্দিন খাবারের সঙ্গেই আয়োডিন পাওয়া যায়।সামুদ্রিক মাছ,দুধ,প্রানীজ মাংশ,চাল-গম,সাকসবজি,ফলমুলে প্রচুর আয়োডিন থাকে।মাছ সমুদ্রের পানি ও ভাষমান শৈবাল থেকে এবং ধান গম, সাকসবজি, ফলমুল মাটি থেকে আয়োডিন পায়।এসব খাবার আমাদের আয়োডিনের প্রয়োজন মেটায়।

আমরা তো ভাত,মাছ, শাকসবজি বেশিই খাই। তাহলে আমাদের কেন লবণের সাথে …

গাড়ির ভেতর কেন বেশি গরম লাগে?

Image
আমেরিকা ইউরোপের অনেক দেশে হয়ত অনেকে গাড়িতে শিশু সন্তান রেখে গেছেন কেনাকাটা করতে। ভেবেছেন ১০-১৫ মিনিটের ভিতরই ফিরে আসবেন। জানালাগুলা বন্ধ ও দরজা লক করা। কিছুক্ষণ পরে এসে দেখলেন হয়ত বিরাট বিপর্যয় ঘটে গেছে। গরমে সন্তানের জীবন বিপন্ন। কারণ আমরা জানি যে রোদে কাচ বন্ধ করে গাড়ি পার্ক করে রাখলে ভেতরের অংশ খুবই দ্রুত তপ্ত হয়ে উঠে।এর কারণ হল সুর্যের আলোর তরঙ দৈর্ঘ্য কম। সহজেই কাচের ভিতর দিয়ে গাড়ির ভিতর ঢুকে পড়ে। এর কিছু অংশ আবার প্রতিফলিত হয়ে আলোক তরঙের আকারেই কাচের ভিতর দিয়েই বের হয়ে আসে। কিন্তু আলোক শক্তির বাকি অংশ গাড়ির সিট ও অন্যান্য অংশ শুষে নেয়। এরপর তা তাপ আকারে বের হয়। কিন্তু এই ইনফ্রারেড তাপের তরঙ্গের দৈর্ঘ্য তুলনামূলক ভাবে বেশি হওয়ায় কাচ দিয়ে বের হতে পারে না৷ ফলে গাড়ির ভেতরের অংশ খুবই দ্রুত তপ্ত হয়ে উঠে।সরাসরি রোদে রাখলে মাত্র ১০ মিনিটে গাড়ির ভেতরের তাপমাত্রা বেড়ে ৪৫-৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে পারে!
এটাই আসলে গ্রিন হাইস ইফেক্ট। সুর্যের আলোর তাপ গাড়ির ভেতর আটকে যায়। অনেকক্ষন এই অবস্থা থাকলে বিস্ফোরণ পর্যন্ত হইতে পারে!!
তাই নিয়ম হল রোদে গাড়ি পার্ক করলে জানালাগুলো অল্প করে খুলে রাখা …

ভয়েজার মিশনের গোল্ডেন রেকর্ড দেখতে চান?

Image
মানুষের আজন্ম লালিত প্রশ্ন -মহাবিশ্বে কি আমিরা একা? সুদুই ঐ আকাশে কি কোন বুদ্ধিমান প্রাণী আছে কি? থাকলে তারাও কি আমাদের মত করে এমন ভাবছে? কে জানে। কিন্তু যদি সত্যই কেউ থেকে থাকে ও আমাদের মত করে ভাবে তাহলে তাদের সাথে যোগাযোগ করাই লাগে। আর যোগাযোগ করতে হলে একটা সুত্র তো চাই৷।

১৯৭৭ সালের ৫ই সেপ্টেম্বর। দুরের ঐ মহাকাশকে জানার জন্য এবং একই সাথে মানব জাতির অস্তিত্ব কে মহাশূন্যকে জানানোর জন্য পাঠানো হয় ভয়েজার-১ নামের এক যুগান্তকারী অনুসন্ধানী যান।তার মাত্র ১৬ দিন আগে পাঠানো হয়ভয়েজার-২ নামের একই রকমের যান৷ বর্তমানে সবচেয়ে বেশি তথ্য প্রদানের মুকুট এই ভয়েজারেই। তবে পরে যাত্রা করলেও ভয়েজার-১ ই সবচেয়ে দুরের যান পৃথিবী হতে৷ এটি বৃহস্পতি, শনি ও শনির উপগ্রহ টাইটানের পাশ দিয়ে উড়ে যায়। এ সময় এটি গ্রহ দুটির উপগ্রহগুলোর বিস্তারিত ছবি তুলতে সক্ষম হয়।
অন্যদিকে ভয়েজার-২ একটু ঘুরপথে গিয়ে এ দুটি গ্রহের পাশাপাশি ইউরেনাস ও নেপচুনের পাশ দিয়ে যায়।আমরা যে নেপচুনের নিলাভ ছবিটা দেখি সেটা কিন্তু ভয়েজার-২ এ তোলা ছবি। এরপর সংগ্রহ করে তথ্য। এর ভিতর দিয়ে যান দুটি তাদের প্রাথমিক দায়িত্ব শেষ করে।

অবশেষে দুটো যা…

কিভাবে আবিষ্কৃত হল নিষ্ক্রিয় গ্যাস 'ক্রিপটন'?

Image
১৮৯৮ সালের কথা। নিষ্ক্রিয় গ্যাস নিয়ে পরীক্ষা চালাচ্ছিলেন লন্ডনের ইউনিভার্সিটি কলেজের রসায়নববিদ স্যার উইলিয়াম র‍্যামসে।
এর আগে তিনি আর্গন গ্যাস আবিষ্কার করেছেন, বিশ্লিষ্ট করছেন হিলিয়াম গ্যাস। তাতে বিজ্ঞানী মহলে বেশ পরিচিত তিনি। তিনি দেখতে পারেন মৌলের একটি গ্রুপের ধর্ম প্রায় একই রকম। তো তিনি নিষ্ক্রয় গ্যাসের গ্রুপে আরো কিছু গ্যাস অনাবিষ্কৃত থাকতে পারে বলে সন্দেহ করলেন। তাই তিনি তার এক সহকর্মীর সাথে আর্গন গ্যাস নিয়ে আরো পরীক্ষা - নিরিক্ষা করতে লাগলেন।

প্রথমেই বাতাস হতে বাতাস হতে অক্সিজেন, নাইট্রোজেন ও কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস আলাদা করা হল। গ্যাসটিকে তরল করে বাষ্পীভূত করে তারা দেখতে চাইলেন তাতে আর কোন মৌল পাওয়া যায় কি না। তাদের চেষ্টা শেষ পর্যন্ত সফল হয়েছিল। প্রায় ১৫ লিটার আর্গন গ্যাস হয়ে তারা অন্য আরেকটি গ্যাস পেলেন। পারমাণবিক বর্ণালি বা স্প্রেকট্রোমিটার দিয়ে গ্যাসের উপর পরিক্ষা চালান হল। তাতে কমলা আর সবুজ রেখা পাওয়া গেল, যা সে।সময়ের জানা থাকা অন্য গ্যাসের সাথে মিলে না। তাতে র‍্যামসে ও তার সহকর্মী মরিস ট্রাভার্স বুঝলেন তারা নতুন একটা গ্যাস আবিষ্কার করছেন। । এবার নাম দেওয়া পা…

কোয়ান্টাম মেকানিকস | পার্ট -২

Image
দ্বি-চির পরীক্ষা ও কণা তরঙের বহু রূপ:--
একটি দেওয়ালে দুইটি ছিদ্র আছে।এখন দেওয়ালে আলো ফেললে দুই ছিদ্র দিয়ে আসা আলো পর্দায় একটি আলো-ছায়ারর নকশা তৈরি করবে। এটা জানা কথা। কোথাও খুব উজ্জ্বল কোথাও খুব অন্ধকার। কোথাও এর মাঝামাঝি অবস্থা।

এখন কথা হল আলোর বদলে ইলেক্ট্রোন ব্যবহার করলে কি হবে?
পর্দার মাত্র ছিদ্র বরাবরই ইলেক্ট্রনের ধাক্কার রেশ থাকার কথা। কিন্তু না, এবারো সেই নকশা পাওয়া গেল। আরো অদ্ভুত কথা হল, এক ঝাক ইলেক্ট্রনের বদলে যদি একটি মাত্র ইলেকট্রন ব্যবহার করা হয় তারপরও সেই নকশা পাওয়া যায়।তার মানে ইলেকট্রন একই সাথে দুটা ছিদ্র দিয়ে যাচ্ছে!! ঠিক তাই। সেটা সম্ভব হয়েছে কণার তরঙ্গধর্মী আচরণের জন্য।
এর দ্বারাই জানা যায় কণারা তরঙের মত আচরণ করতে পারে।
থমাস ইয়ং ১৮০১ সালে প্রথম এই পরিক্ষাটা করেন। তবে তখন এর গুরুত্ব বুঝা যায় নাই। পরে ১৯২৪ সালে ডি ব্রগলি প্রমান করেন সব জড় পদার্থই তরঙের মত আচরণ করতে পারে।
হাজেনবার্গের অনিশ্চয়তা নীতি

হাজেনবার্গের এই নীতি অনুসারে কোন কণার অবস্থান ও গতিবেগ একই সাথে নিখুত করে মাপা যাবে না। এ দুটো বৈশিষ্ট্যএর একটি যত ভাল করে মাপা হবে অপরটা ততই অনিশ্চিত হবে।
সাধারণভ…

কোয়ান্টাম মেকানিকস |পার্ট -১

Image
<br />








কোয়ান্টাম টানেলিং চলতে চলতে আপনার সামনে যদি একটা পুরু দেয়াল এসে যায়, তাহলে আপনার যাত্রা ওখানেই শেষ।কিন্তু অতিপারমানবিক কণারা আপনার মত হাল ছাড়ার পাত্র না। একটি প্রতিবন্ধকের পিছনে আটকা পড়া কোন কনিকাকেও প্রতিবন্ধকের অপর পাশে দেখা যাবে তার একটি অশূন্য সম্ভাবনা রয়েছে। এটাও কণা তরঙের দ্বৈত আচরনের ফল। কণার জন্য কাজটি যত কঠিন তরঙের জন্য ততটা নয়। তেজস্ক্রিয় ক্ষয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় এই উপায়তেই। নিউক্লিয়াস হতে বেরিয়ে পড়ে আলফা কণা।কোয়ান্টাম টানেলিং এর জন্যই সুর্য হতে তাপ বেরিয়ে আসে।
পরিমাপের আগে অস্তিত্বহীন?

আইনস্টাইন বলতেন, তাহলে আমরা যখন তাকিয়ে থাকি না, তখন কি আকাশে চাঁদ থাকে না? " কথাটা চাদের জন্য সত্য না হলেও অতিপারমানবিক জগতে কিন্ত সত্য। কিন্তু পর্যবেক্ষনের আগ পর্যন্ত কণার অস্তিত্বই থাকে না। ২০১৫ সালে নতুন আরেকটি পরিক্ষায় প্রমাণিত হয় একথা। অস্ট্রিয়ান পদার্থবিদ অ্যান্ড্রু ট্রাসকট নতুন করে এর প্রমাণ দেন। তিনি বলেন " পরিমাপই সবকিছু।" না তাকানো পর্যন্ত কোয়ান্টাম স্তরে বাস্তবতা বলতে কিছুই নেই। তার দল পরিক্ষাটি চালান হিলিয়াম পরমানু দিয়ে।

কোয়ান্টাম ফ্ল্যাকচুয়েশন

কৃত্রিম হৃদপিন্ড সম্পর্কে জানেন কি?

Image
কৃত্রিম হৃদপিন্ড সম্পর্কে জানেন কি?<br />








কৃত্রিম হৃদপিন্ড সম্পর্কে জানেন কি? সবচেয়ে নরম হার্ট এখন সুইস মেডিক্যাল গবেষকদের হাতে। সম্প্রতি জুরিখে অবস্থিত সুইস ফেডারেল ইন্সটিটিউট অব টেকনোলোজির একদল গবেষক কৃত্রিম হার্টটি তৈরী করেন। এই নমনীয় হার্টটি দেখতে আসলে মানুষের আসল হার্টের মত। এবারই প্রথমবার কৃত্রিম ভাবে হার্ট তৈরী করতে পারল বিজ্ঞানীরা। কৃত্রিম হার্টটি তৈরী করতে বিজ্ঞানীরা নমনীয় সিলিকন ( এক ধরনের পলিমার।) ও থ্রিডি প্রিন্টিং প্রযুক্তি ইউজ করছেন।

মানুষ হার্টের সফল ভাবে পেসমেকারের সফল ইউজ করা শিখেছে কেবল ৬০ বছর হল। আর প্রথমবার সফল ভাবে হার্ট প্রতিস্থাপন করা হয়েছে ৫০ বছর আগে। সেই তুলনায় কৃত্রিম হার্টের এই প্রযুক্তি বলতে গেলে এখন শৈশবকালকাল অতিক্রম করছে।

সারা পৃথিবীতে প্রায় ২৬ মিলিয়ন মানুষ হার্টের সমস্যায় ভুগছে। কিন্তু সেই তুলনায় দাতার সংখ্যা খুবই কম। বর্তমানে হার্ট প্রতিস্থাপন রোগীদের ক্ষেত্রে যে ধরণের কৃত্রিম হার্ট ইউজ করা হয় তাতে একটা যান্ত্রিক পাম্প ইউজ করা হয়। এই যান্ত্রিক পাম্প হার্টের সার্জারি চলাকালীন সময়েই শেষ হয়ে যেতে পারে ববা কাজ থামিয়ে দিতে পারে।আবার এই য…

হ্যাপি প্রাইম নম্বর জানেন কী?

Image
<br />








হ্যাপি প্রাইম নম্বর কী জানেন?
মৌলিক সংখ্যা বা প্রাইম নম্বর হচ্ছেসেসব সংখ্যা, যাদের শুধু সেই সংখ্যা ও ১ দিয়ে ভাগ করা যায়। অনেকগুলো বিভাগ নিয়ে তৈরী হয়েছে মৌলিক সংখ্যার বিশাল একটি জগৎ। এর মধ্যে আছে মৌলিক সংখ্যার একটি সুখী পরিবার। কেতাবি ভাষায় যাকে বলে হ‌্যাপি প্রাইম নম্বর। কিন্তু কেন এমন নাম? নিশ্চয়‌ই এর কারণ আছে। সেই গল্প‌ই শোনা যাক।



হ্যাপি প্রাইম নম্বরের একটা বৈশিষ্ট আছে। সেটা দেখেই বুঝা যায় সেটা হ্যাপি নম্বর নাকি আনহ্যাপি নম্বর। প্রথমে প্রাইম নম্বরটিকে দুটি সংখ্যার যোগফল হিসেবে দেখাতে হবে। তারপর ঐ সংখ্যা দুইটিকে আলাদা আলাদাভাবে যোগ করতে হবে। তাদের সমষ্টিকে আবার এক‌ই প্রক্রিয়ায় বর্গ করতে হবে যতক্ষণ পর্যন্ত না তা ১হয়। যদি ফলাফল ১এ পৌছায় তাহলে তাকে আমরা হ্যাপি প্রাইম নম্বর বলতে পারব। কিন্তু ১এ পৌছানোর পূর্বে যদি বারবার এক‌ই সংখ্যার পুনরাবৃত্তি হয়, তবে সেটাকে আনহ্যাপি নম্বর বলে।

একটা উদাহরণ দিয়ে দেখালে বিষয়টা স্পষ্ট হবে। চলো সেটাই দেখাই।
প্রথমে একটি মৌলিক সংখ্যা বেছে নিই। আমি ২৩ সংখ্যাটিই নিলাম। দেখা যাক ২৩ সংখ্যাটা হ্যাপি নাকি আনহ্যাপি নম্বর।
2² + 3² = 4 + 9 = 13
1² + 3² …

Do You Know This Unknown Information of Space?

Image
Do You Know This Unknown Information of Space?<br />








Do You Know This Unknown Information of Space?
Space is a very strange place. It's enormity is beyond the understanding of the human brain. Today, I'm writing about some strange things in this space.

1. The space is completely silent: There is no doubt that if you make a noise in the space, anyone can not hear this sound. There is no atmosphere in space. That is, there is no medium for movement of sound. That's why Astronauts do not use mic but they communicate themselves through the radio.


2.Diamond Planet: Very strange that this planet's surface is made of whole graphite and diamond. Its name is 55 Cancari-e. The mass of planet is eight times more than the Earth. And it is about forty light years away from the Earth. It is seen in the space without telescope.


What Will Happen if Sun Died?

3. Foot print will not remove in the space:
If there fall a mark in the Moon it will remain undone for …

Peniocereus greggii - A Rare flower.

Image
Peniocereus greggii - A Rare flower. <br />










"Cereus greggii" A Rare Flower


There are so many flowers in the world that are very rare. It can not be seen easily. Similarly a flower is "Cereus greggii".



They bloom once a year and they also bloom in the night. So they are called "Nightblooming Cereus". They usually bloom in the summer night. This white flower blooms mostly on a single night in the June / July period.

Its scientific name- "Peniocereus greggii ".

It's classification is--

Kingdom: Plantae

Subkingdom: Tracheobionta

Superdivision: Spermatophyta

Division: Magnoliophyta

Class: Magnoliopsida

Subclass: Caryophyllidae

Order: Caryophyllales

Family: Cactaceae

Genus: Peniocereus

Species: Peniocereus greggii

31 Intersting Science Facts.


The height of flowers is usually 7 feet or 2.1 meters, one flower height is 8 inches and width is 4 inches. The fruit of it's is 7.6 cm. It has long dark red color.

The flower…

What Would Happen If The Sun Died?

Image
What Would Happen If The Sun Died<br />










What Would Happen If The Sun DiedWe all know that , once our Sun will die. With this our world will also be destroyed. According to astronomers, the sun is at its middle age. Our sun will become red star after more than 5 billion years.

Its size will grow so much that it will consume Mercury and Venus. Even the earth can consumed. Its center temperature and density will be much more than other parts.

As a result, it will be divided into two parts. They are the rest of the center and center. Its center will turn into a "white dwarf" star. The center will be so small that it will hold the same shape of the Earth. But its mass will be half of the mass of the Sun. As a result, its density will be much higher than the other parts.

Read More:
How Big Is The Universe?


Sky View- An Astronomy App


Anyway, there is a lots of time to die the sun. Hope we must get our second plan. But if the sun disappears at this moment? T…

Most Popular Physics Book Review - Six Easy Pieces: Essentials of Physics By Its Most Brilliant Teacher

Image
Most Popular Physics Book Review - Six Easy Pieces: Essentials of Physics By Its Most Brilliant Teacher<br />









Book Review--Six Easy Pieces: Essentials of Physics By Its Most Brilliant TeacherBook Review
Book Name:Six Easy Pieces: Essentials of Physics By Its Most Brilliant TeacherAuthor: Richard Feynman

I hope that I do not have to say anything about the book's author. Richard Feynman was one of the most influential theoretical physicist in the twentieth century. But he was also a great teacher of physics. His most famous book is Feynman Lectures on Physics . It's six easiest chapter has taken place in Six Easy Piece.


But one thing must be clear beforehand. There is no reason to believe that the name of the book is "Easy", that the book is really easy. In fact, these lectures were for Caltech's most talented students. So this "easy" thing may not be easy, it would be easy for the brilliant students. But there is some math in the whole bo…