কৃত্রিম হৃদপিন্ড সম্পর্কে জানেন কি?



কৃত্রিম হৃদপিন্ড সম্পর্কে জানেন কি?<br />








কৃত্রিম হৃদপিন্ড সম্পর্কে জানেন কি?

বচেয়ে নরম হার্ট এখন সুইস মেডিক্যাল গবেষকদের হাতে। সম্প্রতি জুরিখে অবস্থিত সুইস ফেডারেল ইন্সটিটিউট অব টেকনোলোজির একদল গবেষক কৃত্রিম হার্টটি তৈরী করেন। এই নমনীয় হার্টটি দেখতে আসলে মানুষের আসল হার্টের মত। এবারই প্রথমবার কৃত্রিম ভাবে হার্ট তৈরী করতে পারল বিজ্ঞানীরা। কৃত্রিম হার্টটি তৈরী করতে বিজ্ঞানীরা নমনীয় সিলিকন ( এক ধরনের পলিমার।) ও থ্রিডি প্রিন্টিং প্রযুক্তি ইউজ করছেন।

মানুষ হার্টের সফল ভাবে পেসমেকারের সফল ইউজ করা শিখেছে কেবল ৬০ বছর হল। আর প্রথমবার সফল ভাবে হার্ট প্রতিস্থাপন করা হয়েছে ৫০ বছর আগে। সেই তুলনায় কৃত্রিম হার্টের এই প্রযুক্তি বলতে গেলে এখন শৈশবকালকাল অতিক্রম করছে।

সারা পৃথিবীতে প্রায় ২৬ মিলিয়ন মানুষ হার্টের সমস্যায় ভুগছে। কিন্তু সেই তুলনায় দাতার সংখ্যা খুবই কম। বর্তমানে হার্ট প্রতিস্থাপন রোগীদের ক্ষেত্রে যে ধরণের কৃত্রিম হার্ট ইউজ করা হয় তাতে একটা যান্ত্রিক পাম্প ইউজ করা হয়। এই যান্ত্রিক পাম্প হার্টের সার্জারি চলাকালীন সময়েই শেষ হয়ে যেতে পারে ববা কাজ থামিয়ে দিতে পারে।আবার এই যান্ত্রিক পাম্প এর ব্যবহার করার জন্য আসল হার্টের স্পন্দন বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে দেহের অন্যান্য কাজে বিঘ্ন ঘটতে পারে।
artificial heart transplant
অন্যদিকে এই হার্টে কোন যান্ত্রিক পাম্প ইউজ করা হয় নাই। বরং অতিরিক্ত আরেকটি চেম্বার যোগ করা হয়।ফলে প্রচলিত পদ্ধতির সমস্যাগুলো দূর হয়। এই নতুনন হার্টে ছাপযুক্ত বাতাসের সাহায্যে এর চেম্বারকে পর্যায়ক্রমে ফোলানো ও চুপসানো হয়। ফলে এটি আসল হার্টের মতই সংকোচন ও প্রসারণ তৈরী করে।এর মাধম্যে নতুন হার্টটি তে প্রায় বাস্তব স্পন্দন তৈরী করা সম্ভব হয়।

গবেষক দলের সদস্য নিকোলাস কোর্জ বলেন,আমাদের লক্ষ্য একটি কৃত্রিম হার্ট তৈরী করা, যে হার্টের আকার আকৃতি মোটামুটি ভাবে রোগীর আসল হার্টের মতই হবে।কাজের দিক হতেই আসল হার্টের মতই কাজ করবে।

কোর্জ ও তার দল যে হার্ট তৈরী করছেন ইতোমধ্যে তা সফলভাবে কাজ করতে শুরু করছে।তবে সেটি মাত্র ৩০০০ বিট পর্যন্ত চালু থাকতে পারে।অর্থাৎ আধা ঘন্টার হতে পৌনে এক ঘন্টার মত হার্টটি সচল থাকে।এর ভর ৩৯০ গ্রাম।এ ব্যাপারে কোর্জ বলেন এটি একটি পরিক্ষামূলক হৃদপিন্ড ছিল।
যা হোক আমরা চিন্তা করছি কৃত্রিম হার্ট গবেষণায় নতুন একটি দিগন্ত উন্মোচন করবে।

সুত্র :- PNS Journal







Post a Comment

0 Comments