কোয়ান্টাম মেকানিকস |পার্ট -১



<br />








কোয়ান্টাম টানেলিং

লতে চলতে আপনার সামনে যদি একটা পুরু দেয়াল এসে যায়, তাহলে আপনার যাত্রা ওখানেই শেষ।কিন্তু অতিপারমানবিক কণারা আপনার মত হাল ছাড়ার পাত্র না। একটি প্রতিবন্ধকের পিছনে আটকা পড়া কোন কনিকাকেও প্রতিবন্ধকের অপর পাশে দেখা যাবে তার একটি অশূন্য সম্ভাবনা রয়েছে। এটাও কণা তরঙের দ্বৈত আচরনের ফল। কণার জন্য কাজটি যত কঠিন তরঙের জন্য ততটা নয়। তেজস্ক্রিয় ক্ষয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় এই উপায়তেই। নিউক্লিয়াস হতে বেরিয়ে পড়ে আলফা কণা।কোয়ান্টাম টানেলিং এর জন্যই সুর্য হতে তাপ বেরিয়ে আসে।

পরিমাপের আগে অস্তিত্বহীন?


আইনস্টাইন বলতেন, তাহলে আমরা যখন তাকিয়ে থাকি না, তখন কি আকাশে চাঁদ থাকে না? " কথাটা চাদের জন্য সত্য না হলেও অতিপারমানবিক জগতে কিন্ত সত্য। কিন্তু পর্যবেক্ষনের আগ পর্যন্ত কণার অস্তিত্বই থাকে না। ২০১৫ সালে নতুন আরেকটি পরিক্ষায় প্রমাণিত হয় একথা। অস্ট্রিয়ান পদার্থবিদ অ্যান্ড্রু ট্রাসকট নতুন করে এর প্রমাণ দেন। তিনি বলেন " পরিমাপই সবকিছু।" না তাকানো পর্যন্ত কোয়ান্টাম স্তরে বাস্তবতা বলতে কিছুই নেই। তার দল পরিক্ষাটি চালান হিলিয়াম পরমানু দিয়ে।

কোয়ান্টাম ফ্ল্যাকচুয়েশন


এটি অনিশ্চয়তা নীতির ফল। আগেই বলেছি এই নীতির একটি উদাহরণ হল কোন ক্ষেত্রের শক্তি ও তার পরিবর্তন। আমরা যাকে শুণ্যস্তান বলি, অর্থাৎ যেখানে কোন পদার্থের অস্তিত্ব নেই সেটাও আসলে ঠিক শুন্য না। অনিশ্চয়তা নীতি অনুসারে ক্ষেত্রের শক্তির মান ও তার পরিবর্তন একই সাথে সঠিক করে জানা যাবে না।তার মানে, শুন্যস্থানে কোন ক্ষেত্রের শক্তির মান ও তার পরিবর্তন একই সাথে সঠিক জানা যাবে না। তার মানে, শুন্যস্থানের কোন ক্ষেত্রের মান ও পরিবর্তনের হার একই সাথে শুন্য হওয়া সম্ভব না । দুটোই শুন্য হওয়া মানে তো একই সাথে দুটোই নিখুন ভাবে জানা হতে গেল, যা অসম্ভব। ফলে, আমরা যাকে শুন্যস্থানে বলি সেখানেও অবিরত তৈরি হচ্ছে জোড়ায় জোড়ায় কণা।এগুলোকে বলা হয় ভার্চুয়াল কণা।আর এ প্রক্রিয়ার নামই কোয়ান্টাম ফ্ল্যাকচুয়েশন। এক সাথে তৈরী হয় এক জোড়া বিপরীত চার্জের কণা। সৃষ্টির পর মুহূর্তে আবার এরা একে অপরকে বিলিন করে দেয় -পল ডিরাকের আবিষ্কৃত কণা-প্রতিকণার ধর্ম অনুসারে। আর বাকি থাকে শক্তি ও ফোটন কণা। এই শক্তি দিয়ে আরো এরকম কণা হতে থাকে ও এই প্রক্রিয়া চলতেই থাকে।









Post a Comment

0 Comments