মানুষের

আজন্ম লালিত প্রশ্ন -মহাবিশ্বে কি আমিরা একা? সুদুই ঐ আকাশে কি কোন বুদ্ধিমান প্রাণী আছে কি? থাকলে তারাও কি আমাদের মত করে এমন ভাবছে? কে জানে। কিন্তু যদি সত্যই কেউ থেকে থাকে ও আমাদের মত করে ভাবে তাহলে তাদের সাথে যোগাযোগ করাই লাগে। আর যোগাযোগ করতে হলে একটা সুত্র তো চাই৷।

১৯৭৭ সালের ৫ই সেপ্টেম্বর। দুরের ঐ মহাকাশকে জানার জন্য এবং একই সাথে মানব জাতির অস্তিত্ব কে মহাশূন্যকে জানানোর জন্য পাঠানো হয়

ভয়েজার-১

নামের এক যুগান্তকারী অনুসন্ধানী যান।তার মাত্র ১৬ দিন আগে পাঠানো হয়

ভয়েজার-২

নামের একই রকমের যান৷ বর্তমানে সবচেয়ে বেশি তথ্য প্রদানের মুকুট এই ভয়েজারেই। তবে পরে যাত্রা করলেও ভয়েজার-১ ই সবচেয়ে দুরের যান পৃথিবী হতে৷ এটি বৃহস্পতি, শনি ও শনির উপগ্রহ টাইটানের পাশ দিয়ে উড়ে যায়। এ সময় এটি গ্রহ দুটির উপগ্রহগুলোর বিস্তারিত ছবি তুলতে সক্ষম হয়।
অন্যদিকে ভয়েজার-২ একটু ঘুরপথে গিয়ে এ দুটি গ্রহের পাশাপাশি ইউরেনাস ও নেপচুনের পাশ দিয়ে যায়।আমরা যে নেপচুনের নিলাভ ছবিটা দেখি সেটা কিন্তু ভয়েজার-২ এ তোলা ছবি। এরপর সংগ্রহ করে তথ্য। এর ভিতর দিয়ে যান দুটি তাদের প্রাথমিক দায়িত্ব শেষ করে।

অবশেষে দুটো যানই সৌরজগত হতে বের হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় মুক্তিবেগ অর্জন করে। ২০১২ সালে ভয়েজার-১ প্রবেশ করে আন্তনাক্ষত্রিক জগতে। একই কাজ করতে যাচ্ছে অপর যানটিও।
মহাকাশের সম্ভাব্য বুদ্ধিমান প্রাণীদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য যান দুটির সাথে নাসা যুক্ত করে

গোল্ডেন রেকর্ড

এতে আছে পৃথিবী খুজে পাওয়ার খুবই সুক্ষ নির্দেশনা ও এর প্রাণ নিয়ে গাথা গান ও শব্দ। উদ্দেশ্যে বুদ্ধিমান প্রাণিদের সাথে যোগাযোগের ব্যবস্থা করা ও আমাদের অবস্থান জানান।

মজার ব্যপার হল, এখন আপনি চাইলেই নিজেকে এলিয়েন ভাবতে পারেন। ৫০ ডলার খরচ করে নাসার সেই গোল্ডেন রেকর্ড আপনি নিজেই দেখতে পারেন। এ রেকর্ডএ অন্যান্য এর পাশাপাশি আছে ৫৫টি ভাষায় অভিবাদন। হ্যা, এখানে বাংলাও আছে।
আপনি যদি এটি অর্ডার করতে চান তাহলে
Reactions