সার্চ করুন | Search here

Our New site!!!

We have made a new site. You can visit the site.English Guided Writing Our new site - visit here

Ads | বিজ্ঞাপন

Showing posts with label আপডেট. Show all posts
Showing posts with label আপডেট. Show all posts

Wednesday, May 15, 2019

বুধ গ্রহে আমাদের জয়নুল আবেদিন

শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন।তাকে বলা হয় বাংলাদেশের আধুনিক চিত্রশিল্পের জনক। তার হাতে আকা চিত্রের দ্বারা ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষ এর করুণ পরিস্থিতি তুলে ধরার জন্য তিনি বিখ্যাত। বাংলার সেই ভয়াবহ দুর্ভিক্ষে প্রায় ২১ লাখ মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন। সব মিলিয়ে তিনি প্রায় তিন হাজারের বেশি চিত্রকর্ম একেছেন।১৯১৪ সালের ২৯শে ডিসেম্বর তিনি ময়মনসিংহ জেলায় জন্ম গ্রহণ করেন। আর ১৯৭৬ সালের ২৮শে মে তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। অসামান্য প্রতিভাত স্বীকৃতি স্বরূপ তার নাম জড়িয়ে গেছে মহাকাশেও। অনেকের হয়ত জানা নেই যে তার নামে সুর্যের নিকটতম গ্রহের একটি ক্রাটার এর নাম দেওয়া হয়েছে আবেদিন। ২০০৮ সালে পাঠানো মেসেঞ্জার (MESSENGER) যানটি উড়ে যায় বুধ গ্রহের পাশ দিয়ে।একে বলে ফ্লাইবাই।বুধ গ্রহের জন্য তথ্য সংগ্রহের জন্য যানটিকে পাঠানো হয়েছিল ২০০৪ সালে।গ্রহটির কক্ষপথে প্রদক্ষিণ শুরু করার আগে এটি পৃথিবীকে একবার,শুক্রকে দুবার ও বুধকে তিনবার ফ্লাইবাই করে।।এসময় যানটি গ্রহের উত্তর অঞ্চলে অনেকগুলা ক্রাটার আবিষ্কার করে। এইগুলো ধুমকেতুর আঘাতে হয়েছে।



আবিষ্কৃত ক্রাটারের ভিতর অন্যতম বড় একটা ক্রাটারের নাম দেওয়া হয়েছে আবেদিন।২০০৯ সালের ৯ জুলাই আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ইউনিয়ন (IAU) নামটি অনুমোদন করে।ক্রাটারটি ৬৮ মাইল চওড়া। এর কেন্দ্রিয় অংশের একটি অংশ বেশ বড় হয়ে আছে। এর ভিতরের খাদটি মসৃণ, যা একে অন্যান্য। ক্রাটার হতে স্বতন্ত্র করেছে।

IAU এর নিয়মানুসারে বুধের নতুন আবিষ্কৃত প্রতিটি ক্রাটারের নাম এমন কোন লেখক গায়ক চিত্রকর বা শিল্পীর নামে হবে যিনি ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে বিখ্যাত ছিলেন।আর ক্রাটারের নাম করণের অন্তত তিন বছর আগে মারা গেছেন।

আমাদের জয়নুল আবেদিন ছাড়াও ইতালিয়ান লেখক ইতালোক্যালভিনো, ফরাসি চিত্রশিল্পী কাহলিল জীবরান, মার্কিন ভাষ্কর আলেকজান্ডার ক্যালডার,নিউজিল্যান্ডীয় চিত্রকর ফ্র‍্যান্সেস হজকিন সহ আরো অনেকের নামে আবিষ্কৃত ক্রাটারের নাম রাখা হয়েছে।

১৯১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর হতেই মহাকাশের বিভিন্ন গ্রহ ও উপগ্রহ বিষয়ক বিভিন্ন জিনিসের সংগায়ন ও নাম করণ করছে আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান সমিতি।

সুত্র:- NASA, Lightsinthe dark.com, Wikipedia






নতুন কৃত্রিম হৃদপিন্ড...


সবচেয়ে নরম হার্ট এখন সুইস মেডিক্যাল গবেষকদের হাতে। সম্প্রতি জুরিখে অবস্থিত সুইস ফেডারেল ইন্সটিটিউট অব টেকনোলোজির একদল গবেষক কৃত্রিম হার্টটি তৈরী করেন। এই নমনীয় হার্টটি দেখতে আসলে মানুষের আসল হার্টের মত। এবারই প্রথমবার কৃত্রিম ভাবে হার্ট তৈরী করতে পারল বিজ্ঞানীরা। কৃত্রিম হার্টটি তৈরী করতে বিজ্ঞানীরা নমনীয় সিলিকন ( এক ধরনের পলিমার।) ও থ্রিডি প্রিন্টিং প্রযুক্তি ইউজ করছেন।

মানুষ হার্টের সফল ভাবে পেসমেকারের সফল ইউজ করা শিখেছে কেবল ৬০ বছর হল। আর প্রথমবার সফল ভাবে হার্ট প্রতিস্থাপন করা হয়েছে ৫০ বছর আগে। সেই তুলনায় কৃত্রিম হার্টের এই প্রযুক্তি বলতে গেলে এখন শৈশবকালকাল অতিক্রম করছে।

সারা পৃথিবীতে প্রায় ২৬ মিলিয়ন মানুষ হার্টের সমস্যায় ভুগছে। কিন্তু সেই তুলনায় দাতার সংখ্যা খুবই কম। বর্তমানে হার্ট প্রতিস্থাপন রোগীদের ক্ষেত্রে যে ধরণের কৃত্রিম হার্ট ইউজ করা হয় তাতে একটা যান্ত্রিক পাম্প ইউজ করা হয়। এই যান্ত্রিক পাম্প হার্টের সার্জারি চলাকালীন সময়েই শেষ হয়ে যেতে পারে ববা কাজ থামিয়ে দিতে পারে।আবার এই যান্ত্রিক পাম্প এর ব্যবহার করার জন্য আসল হার্টের স্পন্দন বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে দেহের অন্যান্য কাজে বিঘ্ন ঘটতে পারে।



অন্যদিকে এই হার্টে কোন যান্ত্রিক পাম্প ইউজ করা হয় নাই। বরং অতিরিক্ত আরেকটি চেম্বার যোগ করা হয়।ফলে প্রচলিত পদ্ধতির সমস্যাগুলো দূর হয়। এই নতুনন হার্টে ছাপযুক্ত বাতাসের সাহায্যে এর চেম্বারকে পর্যায়ক্রমে ফোলানো ও চুপসানো হয়। ফলে এটি আসল হার্টের মতই সংকোচন ও প্রসারণ তৈরী করে।এর মাধম্যে নতুন হার্টটি তে প্রায় বাস্তব স্পন্দন তৈরী করা সম্ভব হয়।

গবেষক দলের সদস্য নিকোলাস কোর্জ বলেন,
আমাদের লক্ষ্য একটি কৃত্রিম হার্ট তৈরী করা, যে হার্টের আকার আকৃতি মোটামুটি ভাবে রোগীর আসল হার্টের মতই হবে।কাজের দিক হতেই আসল হার্টের মতই কাজ করবে।

কোর্জ ও তার দল যে হার্ট তৈরী করছেন ইতোমধ্যে তা সফলভাবে কাজ করতে শুরু করছে।তবে সেটি মাত্র ৩০০০ বিট পর্যন্ত চালু থাকতে পারে।অর্থাৎ আধা ঘন্টার হতে পৌনে এক ঘন্টার মত হার্টটি সচল থাকে।এর ভর ৩৯০ গ্রাম।এ ব্যাপারে কোর্জ বলেন
এটি একটি পরিক্ষামূলক হৃদপিন্ড ছিল।
যা হোক আমরা চিন্তা করছি কৃত্রিম হার্ট গবেষণায় নতুন একটি দিগন্ত উন্মোচন করবে।

সুত্র :- BBC EARTH

প্রথম আন্তঃনাক্ষত্রিক গ্রহাণু আমাদের সৌরজগতে...


১৭ অক্টোবর ২০১৭। হাওয়াই দ্বিপপুঞ্জে অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অব হাওয়াইয়ের প্যান-স্টারস-১ টেলিস্কোপে ধরা পড়ে একটা আবছা আলো। সেটা ক্রমেই পৃথিবী হতে দূরে সরে যাচ্ছে।এই আলোর উৎসের খোজে নামের বিজ্ঞানীরা। খোজ পান এমন এক গ্রহাণুর যেটা একেবারে অপরিচিতি। ধুমকেতুও হতে পারে সেটা। বিজ্ঞানীরা সেটার আনুষ্ঠানিক নাম দেন 11/2017/U1| প্যান স্টারস টিমের বিজ্ঞানীরা এর নাম দেন ওউমুয়ামুয়া। এটি একটি হাওয়াইয়ান শব্দ হতে এসেছে যার অর্থ স্কাউট। বিজ্ঞানীরা হিসাব কষে দেখছেন যে এর জন্ম সৌরজগতের বাহিরে। বাইরের কোন নক্ষত্র জগৎ হতে বেড়াতে এসেছে৷ এর আগে কোন বাহিরের নক্ষত্রের খোজ পান নি বিজ্ঞানীরা৷


সৌরজগতে এই আগন্তুক বিজ্ঞানীদের মাঝে সাড়া ফেলেছিল। পৃথিবীর সব বড় বড় টেলিস্কোপ এর দিকে তাক করা হয়েছিল যাতে করে এর সম্পর্কে ভাল মত জানা যায়। বিজ্ঞানীদের চোখ আকাশে তুলে দিয়েছে এর আকৃতি। এর দৈর্ঘ্য ৩০০ মিটার ও প্রস্থ ৩০ মিটার।অনেকটা পেন্সিলের মত দেখতে। এর আগে পর্যবেক্ষণ করা গ্রহাণুর ভিতর কোনটিরই দৈর্ঘ্য প্রস্থের চেয়ে তিন গুনের বেশি বড় ছিল না। এর গায়ের রঙ দেখে বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হয়েছেন যে কয়েকলাখ বছর ধরে এর গায়ে মহাজাগতিকরশ্মি এসে পড়েছে। অর্থাৎ সৌরজগতে পৌছানোর আভে বেশ লম্বা একটা পথ পাড়ি দিতে হয়েছে একে। আন্তঃনাক্ষত্রিক গ্রহাণু নিয়ে বিজ্ঞানীদের ধারণা ছিলো আগে থেকেই। কিছু তত্ত্বও প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো এর উপর। তবে বিজ্ঞানীরা এই প্রথমই এই ধরণের গ্রহাণু পর্যবেক্ষণ করলেন।বিজ্ঞানীরা যেমন ধারণা করেছিলেন এটি তার চেয়ে বেশি ঘন।আর এটি প্রথম পর্যবেক্ষণের তিন দিন আগে, অক্টোবরের ১৫ তারিখে এটি সুর্যের সবচেয়ে কাছাকাছি ছিল। এর আগে ৯ সেপ্টেম্বর এটি সুর্যের সবচেয়ে কাছ দিয়ে উড়ে যায়। বর্তমানে সেকেন্ডে প্রায় ৪৯ কি.মি./ সেকেন্ড গতিতে ছুটে যাচ্ছে এটি। এর গতিপথ ও বেগ দেখে ধারণা করা হচ্ছে লইরা নক্ষত্রপুঞ্জ এর ভেগা নক্ষত্রের কাছে এর জন্ম।


আগন্তুক গ্রহাণুর গঠন বা উৎপত্তি নিয়ে কিছুই জানা যায় নি৷ জানুয়ারি ২০১৮ তে এটি বৃহস্পতি গ্রহকে ফ্লাইবাই করে। জানুয়ারি ২০১৯ এ এটি শনি গ্রহকে ফ্লাইবাই করে। এটি আস্তে আস্তে সৌরজগতের বাহিরের দিকে চলে যাচ্ছে।
বিজ্ঞানীরা পরে এরকম আরো গ্রহাণু খুজে পাবেন বলে আশা করছেন৷
সুত্রঃ নাসা

উচ্চ চাপেও অতিপরিবাহী...


সুপারকন্ডাকটিভিটি বা অতিপরিবাহিতা পদার্থের এক বিস্ময়কর ধর্ম।নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোন বস্তু অতিপরিবাহিতা দেখায়। ঐ সময় ঐ পদার্থের ক্ষেত্রে কোন রোধ কাজ করে না বিদ্যুৎ দিলে।অতিপরিবাহিতার ধারণা খুব বেশি দিনের না হলেও এ বিষয়ে প্রচুর গবেষণা করা হচ্ছে।

বর্তমানে বিভিন্ন সংকর ধাতুর অতিপরিবাহী বানানো হচ্ছে। অতিপরিবাহিতা অবশ্য ধরে রাখা খুবই কঠিন। খুবই কম তাপমাত্রায় অতিপরিবাহীতা প্রদর্শিত হয়, প্রায় পরম শূন্য তাপমাত্রায়। এত দিনে ধারণা করা হত খুব বেশি চাপে অতিপরিবাহিতা নষ্ট হয়ে যায়। গত ২৮ জানুয়ারি
পি এন এ এস জার্নাল
-এ চাইনিজ একাডেমি অব সাইন্সের বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, তারা এমন একটি নতুন সংকর ধাতু বানিয়েছেন যা কিনা উচ্চ চাপে অতিপরিবাহিতা দেখায়। তারা দেখান ১৯০ গিগা প্যাসকেলেও ঐ সংকর ধাতু অতিপরিবাহিতা দেখায়। এই চাপ বায়ুমন্ডলীয় চাপের প্রায় ২০ লাখ গুণ। ধারণা করা হচ্ছে - বিশেষ অবস্থায় অতিপরিবাহিতার এই ধর্ম ব্যবহার করে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।


সুত্রঃPNAS Journal

আয়োডিন লবণ কেন খাবেন? জেনে নিন কিছু কারণ




বিশ্বাস করুন আর না-ই করুন আমেরিকায় আয়োডিনযুক্ত লবন সাধারন দোকানে পাওয়া যায় না।সেখানে লবনে আয়োডিন যুক্ত করা হয় না।তাদের দরকার ও হয় না।একজন প্রবাসী বাঙালি এটা দেখে শুনে অবাক হন।অনেক খুজে বেশি দামে আয়োডিনযুক্ত লবন কনেন এই প্রবাসিরা।কিন্তুু খেতে বিস্বাদ,যেহেতু বাংলাদেশে আয়োডিনযুক্ত লবন খেতে হয়,তাই তিনি দুঃচিন্তায় ছিলেন।কিন্তুু পরে দ্যা নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকায় ২১শে জুলাই ২০১৭ইং, এ বিষয়ে একটি লেখা পড়ে জানলেন,কেন ইউরোপ আমেরিকায় লবনে আয়োডিন লাগেনা।তাহলে,বাংলাদেশে কেন লাগে।কারন আমাদের দেশে বন্যা হয়।আমেরিকা ইউরোপ এই দুর্যোগ খুবই কম।



প্রশ্ন হল বন্যার সাথে আয়োডিনের সম্পর্ক কি?

আয়োডিনের অভাব হলে গলগন্ড,থাইরয়েড গ্ল্যান্ডের সমস্যাসহ আরো বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হতে হয়।আয়োডিন আমাদের শরীরে তৈরী হয়না,দৈনন্দিন খাবারের সঙ্গেই আয়োডিন পাওয়া যায়।সামুদ্রিক মাছ,দুধ,প্রানীজ মাংশ,চাল-গম,সাকসবজি,ফলমুলে প্রচুর আয়োডিন থাকে।মাছ সমুদ্রের পানি ও ভাষমান শৈবাল থেকে এবং ধান গম, সাকসবজি, ফলমুল মাটি থেকে আয়োডিন পায়।এসব খাবার আমাদের আয়োডিনের প্রয়োজন মেটায়।

আমরা তো ভাত,মাছ, শাকসবজি বেশিই খাই। তাহলে আমাদের কেন লবণের সাথে বাড়তি আয়োডিন লাগে?
এর প্রথমত দুটি কারণ। প্রথমত আগেই বলেছি আমেরিকা-ইউরোপে বন্যা তেমন হয় না। কিন্তু আমাদের দেশে প্রতিবছর বন্যা হয়ই। আয়োডিন থাকে মাটির উপর স্তরে। বন্যায় সেই আয়োডিন ধুয়ে মুছে যায়। ফলে ধান, চাল গম বা আমরা যা খাই তাতে আয়োডিন থাকেই না। এর পরও যা থাকে তাতে কোন কাজই হয় না৷ দ্বিতীয়ত, আমরা তেমন সামুদ্রিক মাছ খাই না।

তাই সেখান হতেও আয়োডিন পাই না। বাংলাদেশের মতো আরো অনেক বন্যা প্রবণ দেশে আয়োডিনের ঘাতটি একটি বড় সমস্যা। এর জন্য আগে আমাদের দেশের বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলে গলগন্ড রোগ ব্যাপক আকারে দেখা যেত।তখন আয়োডিন যুক্ত লবণ খাওয়ার চল হয়। এখন প্রশ্ন আয়োডিন লবণে কেন? অন্য কিছুতেও তো দিতে পারত? এর উত্তর হল - লবণ হল এমন একটা জিনিস যা আমরা প্রতিদিন খাই। লবণের মত চিনি আমরা প্রতিদিন খাই না। তাই পরে আইন করে লবণে আয়োডিন মেশানোর প্রচলন করা হয়।