সার্চ করুন | Search here

Our New site!!!

We have made a new site. You can visit the site.English Guided Writing Our new site - visit here

Ads | বিজ্ঞাপন

Showing posts with label কার্যকারণ. Show all posts
Showing posts with label কার্যকারণ. Show all posts

Wednesday, May 15, 2019

আয়োডিন লবণ কেন খাবেন? জেনে নিন কিছু কারণ




বিশ্বাস করুন আর না-ই করুন আমেরিকায় আয়োডিনযুক্ত লবন সাধারন দোকানে পাওয়া যায় না।সেখানে লবনে আয়োডিন যুক্ত করা হয় না।তাদের দরকার ও হয় না।একজন প্রবাসী বাঙালি এটা দেখে শুনে অবাক হন।অনেক খুজে বেশি দামে আয়োডিনযুক্ত লবন কনেন এই প্রবাসিরা।কিন্তুু খেতে বিস্বাদ,যেহেতু বাংলাদেশে আয়োডিনযুক্ত লবন খেতে হয়,তাই তিনি দুঃচিন্তায় ছিলেন।কিন্তুু পরে দ্যা নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকায় ২১শে জুলাই ২০১৭ইং, এ বিষয়ে একটি লেখা পড়ে জানলেন,কেন ইউরোপ আমেরিকায় লবনে আয়োডিন লাগেনা।তাহলে,বাংলাদেশে কেন লাগে।কারন আমাদের দেশে বন্যা হয়।আমেরিকা ইউরোপ এই দুর্যোগ খুবই কম।



প্রশ্ন হল বন্যার সাথে আয়োডিনের সম্পর্ক কি?

আয়োডিনের অভাব হলে গলগন্ড,থাইরয়েড গ্ল্যান্ডের সমস্যাসহ আরো বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হতে হয়।আয়োডিন আমাদের শরীরে তৈরী হয়না,দৈনন্দিন খাবারের সঙ্গেই আয়োডিন পাওয়া যায়।সামুদ্রিক মাছ,দুধ,প্রানীজ মাংশ,চাল-গম,সাকসবজি,ফলমুলে প্রচুর আয়োডিন থাকে।মাছ সমুদ্রের পানি ও ভাষমান শৈবাল থেকে এবং ধান গম, সাকসবজি, ফলমুল মাটি থেকে আয়োডিন পায়।এসব খাবার আমাদের আয়োডিনের প্রয়োজন মেটায়।

আমরা তো ভাত,মাছ, শাকসবজি বেশিই খাই। তাহলে আমাদের কেন লবণের সাথে বাড়তি আয়োডিন লাগে?
এর প্রথমত দুটি কারণ। প্রথমত আগেই বলেছি আমেরিকা-ইউরোপে বন্যা তেমন হয় না। কিন্তু আমাদের দেশে প্রতিবছর বন্যা হয়ই। আয়োডিন থাকে মাটির উপর স্তরে। বন্যায় সেই আয়োডিন ধুয়ে মুছে যায়। ফলে ধান, চাল গম বা আমরা যা খাই তাতে আয়োডিন থাকেই না। এর পরও যা থাকে তাতে কোন কাজই হয় না৷ দ্বিতীয়ত, আমরা তেমন সামুদ্রিক মাছ খাই না।

তাই সেখান হতেও আয়োডিন পাই না। বাংলাদেশের মতো আরো অনেক বন্যা প্রবণ দেশে আয়োডিনের ঘাতটি একটি বড় সমস্যা। এর জন্য আগে আমাদের দেশের বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলে গলগন্ড রোগ ব্যাপক আকারে দেখা যেত।তখন আয়োডিন যুক্ত লবণ খাওয়ার চল হয়। এখন প্রশ্ন আয়োডিন লবণে কেন? অন্য কিছুতেও তো দিতে পারত? এর উত্তর হল - লবণ হল এমন একটা জিনিস যা আমরা প্রতিদিন খাই। লবণের মত চিনি আমরা প্রতিদিন খাই না। তাই পরে আইন করে লবণে আয়োডিন মেশানোর প্রচলন করা হয়।

Tuesday, May 14, 2019

শীতকালে গাড়ির কাচের জানালা বন্ধ করে যাচ্ছেন না তো?





আমাদের দেশ সহ অনেক দেশে হয়ত অনেকে গাড়িতে শিশু সন্তান রেখে গেছেন কেনাকাটা করতে। ভেবেছেন ১০-১৫ মিনিটের ভিতরই ফিরে আসবেন। জানালাগুলা বন্ধ ও দরজা লক করা। কিছুক্ষণ পরে এসে দেখলেন হয়ত বিরাট বিপর্যয় ঘটে গেছে। গরমে সন্তানের জীবন বিপন্ন। কারম আমরা জানি যে রোদে কাচ বন্ধ করে গাড়ি পার্ক করে রাখলে ভেতরের অংশ খুবই দ্রুত তপ্ত হয়ে উঠে।এর কারণ হল সুর্যের আলোর তরঙ দৈর্ঘ্য কম। সহজেই কাচের ভিতর দিয়ে গাড়ির ভিতর ঢুকে পড়ে। এর কিছু অংশ আবার প্রতিফলিত হয়ে আলোক তরঙের আকারেই কাচের ভিতর দিয়েই বের হয়ে আসে। কিন্তু আলোক শক্তির বাকি অংশ গাড়ির সিট ও অন্যান্য অংশ শুষে নেয়। এরপর তা তাপ আকারে বের হয়। কিন্তু এই ইনফ্রারেড তাপের তরঙ্গের দৈর্ঘ্য তুলনামূলক ভাবে বেশি হওয়ায় কাচ দিয়ে বের হতে পারে না৷ ফলে গাড়ির ভেতরের অংশ খুবই দ্রুত তপ্ত হয়ে উঠে।সরাসরি রোদে রাখলে মাত্র ১০ মিনিটে গাড়ির ভেতরের তাপমাত্রা বেড়ে ৪৫-৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে পারে!




এটাই আসলে গ্রিন হাইস ইফেক্ট। সুর্যের আলোর তাপ গাড়ির ভেতর আটকে যায়। অনেকক্ষন এই অবস্থা থাকলে বিস্ফোরণ পর্যন্ত হইতে পারে!!
তাই নিয়ম হল রোদে গাড়ি পার্ক করলে জানালাগুলো অল্প করে খুলে রাখা ও গাড়ি লক করে যাওয়া। তাহলে আর বিপদের ভয় থাকে না৷ আর যদি ভিতরর শিশু সন্তান রেখে যেতেই হয় তাহলে একটু বেশি জানালা গুলো খোলা রেখে যেতে হয়৷ তা না হলে শিশুর জীবন যেতে পারে!!
মাত্র কয়েকবছর আগে অস্ট্রেলিয়ার এমন মারাত্মক দুর্ঘটনার পর হতে সবার টনক নড়ে উঠেছে৷